Feeds:
Posts
Comments

Archive for January, 2008

In Your Reply

স্বগতোক্তির প্রত্যুত্তরে

কোন একজনের স্বগতোক্তি পড়েছিলাম সেদিন

কিন্তু এ দিন ফুরিয়ে যাবে
উষ্ণ সময় জুড়িয়ে যাবে
আমিও হবো অন্যরকম
তুমিও সেদিন বুড়িয়ে যাবে

আমার মনে হল, আমার কিছু বলার ছিল এর প্রত্যুত্তরেসে কথাগুলোই বলে ফেললাম

—————————————————————————————–

হয়ত আমাদের যখন ঘুম ভাংগবে তখন মাঝরাতযে দিনের ফুরিয়ে যাওয়ার শঙ্কা আমাদের ছিলো, তা হয়ত আমরা দেখতেই পারি নিযে উষ্ণ সময়ের আলিঙ্গনে আমাদের মুগ্ধ হওয়ার কথা, তা আমরা অনুভবই করতে পারি নি । হয়ত ঘুম ভাঙ্গার পর উষ্ণ সূর্যের ছোঁয়ার বদলে, ঘুম ভাংগবে মাঝরাতের শীতল চাঁদের করস্পর্শে

নিজেদের বদলে যাওয়ার সেই রূপ হয়তো আমরা আর অনুভবই করবো না, কারন ঘুম ভেঙ্গে আমরা আয়নার সামনে দাঁড়াবো যখন আমরা পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছি

ভয় হয়, তখন অনুশোচনা হবে না তো ? হয়তো উষ্ণ সময়ের জুড়িয়ে যাওয়াটাও ভালোবাসার চাদরে মোড়ানো থাকতো

Read Full Post »

Neel er Vitor Neel,tar cheye Neel

নীলের ভেতর নীল, তার চেয়ে নীল

আকাশে আজ অনেক মেঘ করেছিল। সত্যিকারের ঘন কালো মেঘ। আমার মনটা বিষন্ন ছিল। তাই উদাস ভাবে বারান্দায় দাঁড়িয়ে দু হাত দিয়ে মেঘগুলো কে সরিয়ে দিলাম।সন্তর্পনে হেটে উঠলাম মেঘের উপর। মেঘের উপর আকাশটা কত নীল। কারা যেন বলেছিল, এই নীল আসলে শূন্যতা।সেই শূন্যতার দিকে নির্নিমেষ তাকিয়ে থাকলাম কিছুক্ষন।তারপর আবার হাটতে শুরু করলাম। কত সহস্র শতাব্দী আমি হাটলাম খেয়াল নেই।এক জায়গায় এসে দেখলাম, মেঘগুলি ভারি হয়ে নিচে নামছে, আর বৃষ্টি হয়ে ঝড়ে পড়ছে। নিচের সেই পৃথিবী অনেক সবুজ, আর তার মাঝে স্বচ্ছ জলের একটা সরোবর। সেই সরোবরে বৃষ্টি পড়ছে বিরামহীনভাবে। আমার ক্লান্ত লাগছিলো। তাই আমি নিচে নেমে এলাম। সরোবরে নেমে আজলা ভরে জলপান করলাম, আমার বহুদিনের তৃষিত হৃদয় মূহুর্তেই শীতল হয়ে গেল। আমি ক্লান্ত হয়ে নরম সবুজ ঘাসের উপর শুয়ে পড়লাম। একটা ব্যাং আমাকে এসে কত কি অনুযোগ করে গেল। একটা ঘাসফড়িং নিমন্ত্রন দিয়ে গেল, তার বাড়িতে যাওয়ার। প্রজাপতিটা এসে কত সুখ দুঃখের গল্প করে গেল।আমি ঘুমিয়ে পড়লাম।ঘুম ভাংগলো যখন, তখন রাত হয়ে গিয়েছে। আকাশে থালার মত একটা চাঁদ উঠেছে। আকাশের সেই চাঁদের চেয়েও সুন্দর লাগছে, সরোবরে চাঁদের ছায়াকে। হঠাৎই সরোবর থেকে জোড়া ডলফিন দুটো লাফ দিয়ে উঠলো।কোন দূরে যেন বাঁশি বেজে উঠলো আর সহস্র উড়ন্ত বুনোহাঁসের আড়ালে ঢেকে গেল চাঁদ।

বিষন্ন মনে আমি হাটতে শুরু করলাম, আমার ভালোবাসার পৃথিবী থেকে। আবার ফিরে যেতে হবে সেই যান্ত্রিক পৃথিবীতে, যেখানে সব আছে, শুধু ভালোবাসাটাই নেই।

Read Full Post »

Je Din er Opekkhay

যে দিনের অপেক্ষায়


আমি ঘুমাচ্ছি না, অথচ কেমন যেন ঘুম ঘুম আবেশের মধ্যে আছি।মাথা কাজ করছে ধীরতম গতিতে। দৃষ্টি একদম ঘোলা হয়ে যাচ্ছে। চোখ বুজলেই মনে হচ্ছে অনেক দূরে কোথাও যেন চলে যাচ্ছি কিংবা অনেক উঁচু থেকে নিচে পড়ে যাচ্ছি। একটু মনঃসংযোগ করলেই দেখতে পাচ্ছি, অনেক রঙ দ্রুত গতিতে ছুটে এসে একটা বিন্দুতে এসে একে অপরের সাথে ধাক্কা খাচ্ছে। মূহুর্তেই সেই বিন্দুটা সাদা হয়ে যাচ্ছে, আর ধীরে ধীরে সেই সাদা বিন্দুটা প্রসারিত হয়ে একটা ক্যানভাসের মত ছড়িয়ে পড়ছে আমার চিন্তাতে। আমার চারপাশে কাদের অস্পষ্ট নিচু স্বরের কথা শুনতে পাচ্ছি। হঠাৎ সব রঙের বিন্দুগুলি কোথায় যেন মিলিয়ে গেল, সামনে সূর্যের মত উজ্জ্বল একটা কিছু জ্বলে উঠলো।চোখ ধাধিয়ে গেল এক মূহুর্তের জন্য। কিছু বুঝে উঠার আগেই হঠাৎ যেন ছুটতে শুরু করলাম আমি, একটা টানেলের মধ্য দিয়ে। চারপাশে কুয়াশাঘেরা অবাস্তব একটা দেয়াল। ঐ আলোর খুব কাছেই চলে এলাম। কিন্তু এ তো আলো না, নিরেট শুন্যতা। টানেলের একদম সামনেই আমি আর এক পা এগুলেই আমার সামনে দিগন্ত বিস্তৃত সেই শূন্যতা। একটু থামলাম আমি। পিছন দিকটা ফিরে তাকালাম শেষবার। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে পা বাড়ালাম শূন্যতার পথে।

*************************************************


চিত্র কৃতজ্ঞতাঃ ফ্লিকার

Read Full Post »

Isshor-er kacche Arji

ঈশ্বরের কাছে আর্জি

দম্ভ বা অহংকার যাই বলি না কেন, আমার মধ্যে কিঞ্চিত মনে হয় সব সময়ই ছিলো।

 

খুব ছোটবেলাতে অনেক জোরে দৌড়াতে পারতাম বলে একটা গর্ব সবসময়ই ছিলো। আমার সেই গর্বকেই চূর্ণ করতে কিনা, একটু বড় হওয়ার পরই আবিষ্কার করলাম, আমার পা দুটিতে আর সেই জোড় নেই। আশে পাশের সেই বন্ধুরা আমার চেয়ে অনেক জোরে দৌড়ায়।কিভাবে কিভাবে যেন খেলাধূলা ব্যাপারটিতেই আমার এক ধরনের অদক্ষতা জন্ম নিল, ফলশ্রুতিতে খেলা দেখতে ভালো লাগলেও, নিজের খেলাধূলার প্রতি একটা বৈরাগ্য জন্ম নিলো।

 

মোটামুটি ভালো ছাত্রই ছিলাম স্কুল-কলেজ জীবনে। স্কুলে পড়ার সময়, হঠাৎই আবিষ্কার করলাম মোটামুটি অনেক শিক্ষকই আমার স্মরনশক্তির প্রশংসা করছে। আমিও ব্যাপারটা কিছুটা আঁচ করতে পারলাম। মোটামুটি একবার দেখলেই কোন তথ্য আমার মাথার মধ্যে গেড়ে যায়। এমনকি ক্লাস সেভেন এইটে পড়ার সময় পর্যন্ত আমি তিন গোয়েন্দার বিশাল পোকা ছিলাম। একদিন খেয়াল করলাম যে, আমি সেই সময় মোটামুটি আমার পড়া সব তিন গোয়েন্দার থেকে মোটামুটি একটা করে হলেও লাইন হুবহু বলতে পারি। অধিকাংশ বইএর থেকেই আমি একাধিক লাইন মনে করতে পারি। যখন আমি নিজের স্মরণশক্তি নিয়ে গর্বে দশহাত হয়ে আছি, তখন নিশ্চয়ই অলক্ষ্যে কেউ একজন মুচকি হাসছিলেন। সেই ছেলে আজ আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি। নিজের স্মরনশক্তি নিয়ে আজ আমি রীতিমত লজ্জিত। দিন তারিখ কিছুই খেয়াল রাখতে পারি না। এক জিনিশ বেশ কয়েকবার না পড়লে মনে থাকে না। এক লাইন মনে করাতো দূরের কথা, এক মাস আগে পড়া উপন্যাসের কাহিনীই মনে করতে পারি না। কি চমৎকার, তাই না ?

 

গর্ব করার মত সব হারিয়ে যখন প্রায় নিঃস্ব, তখনও মনের মধ্যে একটা ব্যাপার নিয়ে বোধহয় আমার গর্ব ছিলো। আমি সবসময় খুব খেয়াল করে কথা বলতাম যাতে আমার কথায় কেউ একটু হলেও আঘাত না পায়। মানুষের মনে আঘাত দেওয়া বিশেষত নিজের কোন কথার মাধ্যমে, আমার ঘোরতর অপছন্দের কাজের মধ্যে একটা। আমার এই চেষ্টার জন্য, নিজেকে নিয়ে আমার ভেতর কিছুটা গর্বতো ছিলোই। কিন্ত সবকিছু ভাঙ্গাতেই যিনি সমান পারংগম, তিনি আমার এই গর্ব ভাঙ্গার ব্যবস্থাও করলেন। নিজের প্রচন্ড বেখেয়ালী এবং আত্নরম্ভিতাপূর্ণ কথায় একজনকে কি ভয়াবহ আঘাত করলাম।নিজের এই ব্যবহারে আমি লজ্জিত এর চেয়েও বেশি হতবাক !

 

 

মনে হচ্ছে, অনেক হয়েছে। আর দরকার নেই একই নাটকের বারবার মঞ্চায়নের।

 

হে ঈশ্বর, আমাকে তুমি বিনয় দাও। আর কিছুই চাইনা।

Read Full Post »

নিশিকাব্য-০২
জানো ঢাকাতেও না ঝি ঝি পোকা ডাকে
মাঝে মাঝে মনে হয়
দিগন্তব্যাপী এই নিকষ কালো রাতের নিঃস্তব্ধতা
লেখা হয়েছে ঝি ঝি পোকারই ডাকে
ছোটবেলায় অন্ধকার মানেই গা ছমছম করা ভয়
অথচ সেই আমরাই কিছুদিন আগে
অভেদ্য অন্ধকারে হেটে বেড়ালাম সাগরের বিস্তীর্ণ তীরে
মনে পড়ে তোমার ?
কিংবা মনে পড়ে তোমার সেই রাতের কথা ?
ভ্যানগগের যেই স্টারি নাইটে তুমি আমি হারিয়ে গিয়েছিলাম
কোন এক নাম না জানা উপত্যকাতে
চারিদিকে কেউ নেই, শুধু তুমি, আমি আর আকাশজুড়ে তারারা
যে রাতে আমরা জোৎস্না পান করলাম আকন্ঠ
কালপুরুষের পাহাড়াতে
তখন জানতে চেয়েছিলে রাত মানে কি।
রাত ?
রাত মানে নিজেদের হারিয়ে ফেলা
আর কখনো খুঁজে না পাওয়া।

Read Full Post »

Some more …

Read Full Post »

Some of my recent taken photographs

Read Full Post »